1. mumin.2780@gmail.com : admin : Muminul Islam
  2. Amenulislam41@gmail.com : Amenul :
  3. rajubdmmail01@gmail.com : A Haque Raju : A Haque Raju
  4. smking63568@gmail.com : S.M Alamgir Hossain : S.M Alamgir Hossain
সিজারে মা'দের জীবন অকালে নষ্ট হয়ে যায় - আলোরদেশ২৪

সিজারে মা’দের জীবন অকালে নষ্ট হয়ে যায়

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
  • ৫৯২ বার দেখা হয়েছে

আপনারা জানেন কি, বলেনত আপুরা সেলাই এর জায়গা চুলকায় কেন? আপনাকে সিজারের সময় মেরুদণ্ডে যে ইনজেকশন দেওয়া হয় সেই ইনজেকশনটা কে পুশ করেছিল মহিলা ডাক্তার নাকি পুরুষ ডাক্তার?
এই ইনজেকশনটায় পরবর্তীতে কি কি ক্ষতি হয় জানেন?

আমাদের সমাজে বর্তমানে সিজারের শতভাগ কাজ কি মহিলা ডাক্তাররাই করেন? নাকি কিছু কিছু কাজে পুরুষ ডাক্তারের সাহায্য নিতে হয়?

তবে এটা জানেন যে, পৃথিবীতে কোনো প্রাণীর সিজার লাগে না, তবে মানুষের কেন লাগে?

মানুষের সিজার লাগার কারণ হলো, শশুর মশাই আদরের মেয়ে জন্য ফোন দিয়ে বলবে আমার মেয়ের কিছু হলে জামাই তোমাকে ছাড়বো না, শাশুড়ি বলে আমার মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করুন টাকা যা লাগে আমি দিবো। আর শালা শালি তো আছেই। তার পর ডাক্তারের কথা বললে তো আইডি আজই নষ্ট হবে।

হাসপাতালে গর্ভবতী মাকে নেবার পরে, কর্তব্যরত ডাক্তার দেখা মাত্রই বলবে চেক-আপ করেন এবং পরে এই ৩ টি ডায়লগের যেকোনো একটি দিয়ে শুরু করবে।
১/ বাচ্চা পানিশূন্যতায় আছে।
২/ বাচ্চা পেটের ভিতরে পায়খানা করে দিয়েছে।
৩/ বাচ্চার পজিশন উল্টা।
এই কথাগুলোর যেকোনো একটা শোনার পর গর্ভবতীর মা ও তার পরিবারের লোক জনের অবস্থা কি হতে পারে অনুমান করা বেশ কষ্টসাধ্য নয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের সমস্ত প্রাইভেট হাসপাতালের গুলোর গত ৫ বছরের ডেলিভারি রিপোর্ট দেখলে, আপনে দেখবেন যে, প্রায় ৯০% সন্তান সিজারে ডেলিভারি করানো হয়েছে।

তবে ১০০ ভাগ মহিলা ডাক্তার এর মধ্যে একজনও মহিলা ডাক্তার সিজার ডেলিভারি হয়েছে এমন খুঁজে পাওয়া খুবই কষ্টকর আর সাধারণ মানুষ হসপিটালে যাওয়া মাত্রই সিজার সিজার সিজার সিজারে এতো টাকা বিল আসে কেন, যাচাই করার কোন উপায় কি আছে বর্তমানে আমাদের দেশে। সিজারের সময় যে এক কার্টুন ঔষধ ও,টি,তে নেওয়া হয়, তা কি সব লাগে? বাকি ঔষধ গুলো কোথায়?

এখন সিজার ডেলিভারির জন্য, আমাদের দেশের মায়েরা অর্ধপঙ্গু হয়ে যাচ্ছে। এটাকে বন্ধ করেন। আর মাদেরকে বাঁচান, বাচ্চাকেও বাঁচান।

তবে আমি মনে করি, কিছু কিছু ডাক্তার নিজের স্বার্থের জন্য হয়ত এই সিজার করতে বলেন। কিন্তু সব ডাক্তার তাই নয়।

এখন সিজারের সংখ্যা কেন বেড়ে গেছে তার কারণটা আমার কাছে মনে হয় ব্যাপারটার উৎপত্তি আমাদের জন্ম থেকে। আপনি আপনার দাদা দাদী/নানা নানীর দিকে তাকান । দেখবেন উনারা বুড়ো বয়সেও কত শক্তিশালী। আমাদের দাদা নানারা দেখবেন ৭০ বছর বয়সেও অনেক কর্মট তার দূর হেটে হেটে নামাজ পরতে যাচ্ছে , চা খেতে যাচ্ছে। আমাদে দাদা-নানারা ৮০+ বয়স হওয়ার পরেও চশমা ছাড়া পেপার পরত । এবার আমাদের বাবা মায়ের দিকে তাকান। কিছু পরিবর্তন পাচ্ছেন ? উনাদের কোমর ব্যাথা হাটু ব্যাথা হাড় ক্ষয় হয়ে যাওয়া ধরনের অসুখ দেখতে পাচ্ছেন কি?

এবার আসেন নিজের দিকে আর নিজের মায়ের দিকে তাকান। আপনার কি মনে হয় যে, আপনার এখন যতটা কর্মক্ষম আপনি তার বয়সে এতটা থাকতে পারবেন কি? এইবার মনে মনে ভাবুন আর বলুন, পার্থক্য বুঝতে পারছেন কি?

তবে আমরা দিনে দিনে অসুস্থ পরিবেশে বড় হয়ে উঠছি । আরও আমাদের শারীরিক পরিশ্রমও দিনে দিনে কমে যাচ্ছে । বিষাক্ত খাবার সব কিছুতে ভেজাল। দূষিত বাতাস দিন পর দিন জেনারেশন আগে যাচ্ছে আর তাদের শারীরিক কার্মক্ষমতা কমে যাচ্ছে। সবচেয়ে কঠিন বাস্তবতা কি জানেন আপনারা।

বাংলাদেশে বর্তমানে বেশী সংখ্যক মা দের পেট কেটে সিজার করে বাচ্চা বের করা হচ্ছে, এতে অনেক মা ও বাচ্চাও মারা যাচ্ছে। অথচ আমাদের দাদী-নানি, মা-চাচীরা ৮/১০ টা করে বাচ্চা জন্ম দিয়েছে, মহা-আল্লাহর রহমতে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। আলহামদুলিল্লাহ
,
তবে কেউ বলবেন যে, অল্প বয়সে তাদের বিয়ে হওয়ার কারণে বর্তমানে সিজার করতে হয়, আমি বলব আপনার ধারণাটা সম্পূর্ণভাবে অমূলক। তাই যদি হয় তাহলে তো আমাদের দাদি-নানিদের বিয়ে হয়েছে মাত্র ৯ /১০ বছর বয়সে, কই তাদের তো কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি!

(তবে আমি দুঃখিত কারণ তর্ক করতে চাচ্ছি না)
একটা সিজার মানে একটা মায়ের জীবন একেবারে নষ্ট।

সিজার মানে একটা মায়ের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সে প্রতিবন্ধী।
আপনারা পার্থক্য টা খেয়াল করেন যাদের নরমাল ভাবে ডেলিভারি হয় তাদের নাড়ী ছেঁড়া ধন হয় আর যাদের সিজার হয় তাদের হয়তো নারী ছেড়া হয়না কিন্তুু নাড়ী কাটা ধন হয়!

এখন অনেকের মনে চিন্তা জাগবে সিজারটা কি? যাস্ট পেট কাঁটা হয় জ্বি না শুধু পেট নয় সাথে তার সাতটা পর্দা কেটে বাচ্চাটা কে দুনিয়াতে আনতে হয়!

হয়তোবা মাদের সিজার করানোর সময় এ্যানেসথেসিয়ার এর জন্য বুঝা যায়না পেট কাটাটা! খেয়াল করে দেখবেন আধাঘণ্টার মধ্যে তিনটা স্যালাইন শেষ হয়!

কিন্তুু এমোটা সিরিন্জ দিয়ে মেরুদণ্ডে দেয়া ইনজেকশন টা প্রতিটা সিজারিয়ান মা কে সারাজীবন কষ্ট দেয়!

মায়েদের কখনো কখনো শরীরের বিভিন্ন জায়গা অবস হয়ে থাকে বসা থেকে উঠতে পারেনা সংসারের যাবতীয় কাজ করতে ওনাদের অনেক কষ্ট হয় তবুও করতে হয়! কারন ওনারা নারী জাতী বলে।

আপনারা বিশ্বাস করেন যখন অবসের মেয়াদ টা চলে যায় তখন দেখবেন প্রতিটা মা গলা ছুলা মূরগীর মতো ছটফট করতে থাকে ২৪ ঘন্টা এক টানা সিজারিয়ান মায়ের শরীরে স্যালাইন চলে! শরীরের ও কাটা জায়গার ব্যাথার জন্য ক্যানোনিকাল স্যালাইন চলে টানা ২৪/৩২ ঘন্টা! টানা ২ দিন শরীরে খিচুনি ও মাথা বাড়ি হয়ে বিছানায় পরে থাকতে হয় প্রতিটা মাকে!

দেখবেন কোনো প্রতিষ্ঠান সিজারের প্রয়োজন নেই তাবুও ব্যবসার জন্য মাদেরকে সিজার করায় তাহলে আল্লাহর কাছে তাদের কঠিন জবাবদিকরতে হবে!

শিক্ষিত সমাজে বলছি যত সম্বভ সিজার কে না বলুন!
এবিষয়ে তথ্য টা একটু পড়বেন,
করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে সিজারের হার কমেছে। মায়ের মৃত্যুর হারও কমেছে, নরমালে জন্ম নিচ্ছে সুস্থ সবল শিশু।
করোনায় লকডাউনে দেশে ১ লাখ ৭৫ হাজার শিশুর জন্ম হয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ৪% শিশুর জন্ম হয়েছে সিজার করে। বাকি ৯৬% শিশুর জন্ম হয়েছে নরমালে।

প্রিয় মা ও বাবা আমার হৃদয় নিংড়ানো সম্মান দিয়ে আপনাদের কিছু কথা বলতে চাই খারাপ লাগতে পারে, আমাকে ক্ষমা করবেন। প্রত্যেক বালা-মুসিবত আল্লাহর পরিক্ষা স্বরুপ এটা সবাইকে মানতে হবে। তবে সিজারের জন্যে বাচ্চা বড় হয়ে D J মার্কা হওয়ার পিছনে বেশির ভাগ আপনারাই দায়ী!

তবে গবেষণায় দেখা গেছে, সিজারের বাচ্চাদের শারিরীক রোগ প্রতিরুধ ক্ষমতা কম।

আগের দিনে গর্ভবতী মায়েরা গর্ভাবস্থায় আল্লাহর উপর ভরসা করতো।
আর এখন আপনার ভরসা করেন ডাক্তাদের উপর। দুই তিন মাস যেতে না যেতেই স্বামীকে বলেন, আমারে চেক-আপ করান, বাচ্চা মনে হয় উল্টা হয়ে আছে। ক্লিনিকে গেলে কিছু কসাই ডাক্তার আপনাকে ভয় দেখায়। ফলে আপনি মানুষিক ও শারীরিক ভাবে দুর্বল হয়ে পরেন।

আগের গর্ভবতী মায়েরা গর্ভাবস্থায় পবিত্র কোরান পাঠ করেত, নামাজ পড়তো, ঘরে বসে আল্লাহর জিকির-আজগার করতো।
আর এখন ঘরে বসে ২৪ঘন্টা ডিস লাইনের জি- বাংলা ও স্টার জলসা জিকির করেন। (কিছু মা)

আগের গর্ভবতী মায়েরা গর্ভাবস্থায় সব ধরনের সাংসারিক কাজ করতো, এমনকি গর্ভাবস্থায় ঢেঁকিতেও ধান বানতো। (আবার এটা ভাইবেন না এগুলো আমি করতে বলতেছি)
আর আপনি বর্তমানে ফুলের বিছানা থেকে উঠতে চান না।

আগের গর্ভবতী মাদের চেহারা, পেট, পিঠ সহজে কোনো পরপুরুষ দেখতে পাইনি। তবে বর্তমান তাদের পেট পিঠ গঠনে সবার নজর লাগে, বেপর্দাই চলাফেরা করেন।
তাদের নিয়ত ঠিক নাই, তাই তাদের সমস্যা হয়।

মেয়েদের শরীরের কিছু কিছু অংশ আছে যা নাকি স্বামী ব্যতিত অন্য কাউকে এমনকি নিজের গর্ভধারিনী মা-কেও দেখানো জায়েজ নাই। সে অঙ্গ আজ পরপুরুষ দেখতেছে। হায় রে আফসোস !

তাই আমাদের মা/বোনদেরকে বলবো, ডিজিটাল পর্দা বাদ দিয়ে আল্লাহর খুশি হন এমন পর্দা পালন করুন। বাচ্চা যাতে নরমাল ভাবে দুনিয়াতে আসে, এই জন্য বেশি বেশি আল্লাহ কাছে চাইন। আর বেশি করে দোয়া করতে থাকুন। আমিন

শেয়ার..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন...

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  

বিজ্ঞাপন

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Radwan Ahmed