1. mumin.2780@gmail.com : admin : Muminul Islam
  2. Amenulislam41@gmail.com : Amenul :
  3. smking63568@gmail.com : S.M Alamgir Hossain : S.M Alamgir Hossain
ঘুমন্ত স্ত্রীকে পুড়িয়ে দিলো স্বামী - আলোরদেশ২৪

ঘুমন্ত স্ত্রীকে পুড়িয়ে দিলো স্বামী

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
  • ৪৪৪ বার দেখা হয়েছে

বড়লেখা,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় স্বামী ও তার পরিবারের লোকজনের নির্যাতন সইতে না পেরে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন গৃহবধূ রহিমা বেগম (২০)। কমলগঞ্জে কিশোরীর আত্মহত্যা

কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, বাবার বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় রহিমার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন তার স্বামী। এতে রহিমার হাত-মুখসহ শরীরের প্রায় ৬৩ শতাংশ পুড়ে গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভানুগাছে ট্রেনের নীচে ঝাপদিয়ে এক ব্যবসায়ি আত্মহত্যা

আজ রবিবার (৪ঠা জুলাই) ভোরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার হরিপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ রহিমার স্বামী অভিযুক্ত শিপন আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে।

শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টায় কমলগঞ্জে মামলা

বড়লেখা থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের রফিক উদ্দিনের মেয়ে রহিমা বেগমের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই ইউনিয়নের আরেঙ্গাবাদ গ্রামের মুকুল মিয়ার ছেলে শিপন আহমদ এর বিয়ে হয়। বিয়ের পর পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রহিমার সঙ্গে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজনের ঝগড়া হতো।

কমলগঞ্জে চিকিৎসায় অবহেলায় মায়ের মৃত্যু

এতে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন রহিমাকে নির্যাতন করত। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কয়েকবার সমাধান করে দিলেও কোনো লাভ হয়নি। এরপরও তাদের মধ্যে বেশিরভাগ সময়  ঝগড়া-ঝাটি লেগেই থাকত।

টাঙ্গাইলে পিকআপ ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত চার

এদিকে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজনের নির্যাতন সইতে না পেরে প্রায় সাত মাস আগে এক সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি হরিপুর গ্রামে চলে আসেন রহিমা বেগম। সন্তানকে দেখার সুযোগে প্রায় সে শ্বশুরবাড়িতে আসত।

শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টায় কমলগঞ্জে মামলা


গতকাল শনিবার (৩লা জুলাই) শিপন তার সন্তানকে দেখতে শ্বশুরবাড়িতে আসে। রাতে সেখানে থাকে। কিন্তু ভোর ৫টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী রহিমা বেগমের গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় সে। ঘটনার সাথে সাথে পালিয়ে যায় ঘাতক শিফন।

এদিকে রহিমার চিৎকার শুনে পরিবারের লোকজন থাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে অভিযুক্ত শিপনকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। আজ বেলা ২:৩০মিনিটের সময় উপজেলার পশ্চিম হাতলিয়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত শিপনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এবিষয়ে দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাহেদুল ইসলাম সুমন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, রহিমা বেগমকে তার স্বামী শিপন আহমদ পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছেন। মেয়েটির অবস্থা এখন আশঙ্কাজনক। তাকে সিলেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মৌলভীবাজারে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় শতাধিক ব্যাক্তিকে জরিমানা

বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত মেডিক্যাল অফিসার ডঃ মোঃ ফয়জুল ইসলাম জানান যে, সকাল ৭ঘটিকার সময় রহিমা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার হাত, মুখসহ শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাহার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ  হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান যে, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পেট্রল ঢেলে রহিমাকে তার স্বামী পুড়িয়েছে। ঘটনার পরই পুলিশ রহিমার স্বামী  শিপনকে গ্রেপ্তার করে। রহিমার বাবা বাদি হয়ে থানায় মামলা করেন।

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Radwan Ahmed