1. mumin.2780@gmail.com : admin : Muminul Islam
  2. Amenulislam41@gmail.com : Amenul :
  3. smking63568@gmail.com : S.M Alamgir Hossain : S.M Alamgir Hossain
নবীগঞ্জে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত - আলোরদেশ২৪

নবীগঞ্জে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭৫৫ বার দেখা হয়েছে

নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে এক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানা ও আদালতে মামলা করার পরও বাদী পক্ষের লোকজনের সাথে রক্তক্ষয়ী এক সংঘর্ষের ১৫জন আহত হয়েছে। তবে গুরুতর আহত দুই জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় এখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানা যায় যে, নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের মিঠাপুর গ্রামে গতকাল (১৩ই এপ্রিল) বুধবার  ইফতারের আগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের এ হামলার সৃষ্টি হয়। দুই পক্ষের মধ্যে জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একই গ্রামের কাদির মিয়ার সাথে পাশ্ববর্তী ঘরের চাচাতো ভাতিজা নুরুল গংদের সাথে বিশদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। তাদের অত্যাচারে এলাকার লোকজনকে অবগত করলেও কোনো সুরাহ না হওয়াতে অবশেষে কোর্টে ও থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

এ ব্যাপারে কাদির মিয়ার বড় ছেলে মোঃ আবু ইউসুফের সাথে আলাপকালে সে জানায় যে, কোনো কারণ ছাড়াই ইফতারের আগ মুহূর্তে নুরুল মিয়া আমাদের ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে আমার চাচাতো ভাই আজিদ মিয়াকে ঘর থেকে ডেকে এনে তারা এক জোট হয়ে মাটিতে ফেলে বেধরক মারপিট করতে থাকে । অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করে পরে নুরুল মিয়ার হুকুমে দেশীয় অস্ত্র ও লাটিসোটা নিয়ে অর্তকিতভাবে আমাদের উপর নুরুল হোসেন, তার ছোট স্ত্রী গোলবাহার, বড় স্ত্রী ফাতেহা, ভাতিজা জুয়েল, মাসুম, আমির হোসেন, সুহেল, সুটন, মুজাহিদসহ আরো অনেকেই হামলা করে। আমাদের চিৎকারে আশপাশ বাড়ি-ঘরের লোকজন এগিয়ে এসে তাদের বিরোধ মিমাংসার চেষ্টা করলে নুরুলবাহিনীর তাদেরকে গালিগালাজ করতে থাকে। এমনকি তাদের সাথে হামলার চেষ্টাও করে! থানা ও আদালতে মামলা থাকার পরও তারা বাহিরের কিছু লোকজন এনে
আমাদের উপর হামলা করে ও ঘর দুয়ারে ভাঙচুর চালায়। আমরা এর বিচার চাই। অনেকেই বলছেন নুরুলের জোর কোথায়।

এবিষয়ে নুরুল বাহিনীর প্রধান নুরুল মিয়া সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে ফোনটি বন্ধ দেখায় ।

এসংঘর্ষে যাহারা আহত
হলেন, মোঃ আব্দুল কাদির (৫৫) তার স্ত্রী রিনা বেগম (৪৫), ছেলে ইমন মিয়া (১৯), আবু ইউসুফ (২৫), ভাতিজা আব্দুল আজিদ (৩৬), তার বোন শিবলি বেগম (৪০) ও তার স্বামী আব্দুল আজাদ (৫০) মধ্যস্থ ব্যাক্তি সহ অন্তত ১৫জন আহত হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক আশঙ্কাজনক অবস্থায় রিনা বেগম ও তার ছেলে ইমন মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বাকীদের নবীগঞ্জ হাসপাতাল ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে, কাদির মিয়া স্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজন, তিনি কথা বলতে পারছেন না। তার মাথায় রুল দিয়ে আঘাত করে অজ্ঞান করে। তার মাথায় ১৪ টি সেলাই করা হয়েছে । এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট করে। তার ছেলে ইমন এগিয়ে আসলে তাকেও বেধরক মারপিট করে রক্তাক্ত করে। এবং ইমনের মাথায় ১৬টি সেলাই লাগছে।

এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানায় যোগাযোগ করা হলে তারা জানান যে, ঘটনার খবর পেয়েছি। রোগীকে চিকৎসার জন্য পাঠিয়েছি। অপরাধী বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Radwan Ahmed