1. mumin.2780@gmail.com : admin : Muminul Islam
  2. Amenulislam41@gmail.com : Amenul :
  3. smking63568@gmail.com : S.M Alamgir Hossain : S.M Alamgir Hossain
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জুয়েল হত্যা মামলার আসামীদের রক্ষার চেষ্টা করছে একটি চক্র - আলোরদেশ২৪
সংবাদ শিরোনাম :
কুরবানির গরু জবাইয়ে দেরি, ইমামকে মারধর সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রবেশে ফি বাড়ল দ্বিগুণের বেশি, দর্শনার্থীদের ক্ষোভ ঈদুল আযহা উপলক্ষে আগাম বুকিং কম চায়ের রাজ্য কমলগঞ্জে মণিপুরী সমাজ কল্যাণ সমিতির নির্বাচন ১৪ই জুন কুয়েতে ভবনে আগুন মালিকদের লোভকে দুষলেন উপ-প্রধানমন্ত্রী কমলগঞ্জে আব্দুল গফুর চৌধুরী মহিলা কলেজে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল কমলগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কমলগঞ্জের ভানুবিলে কৃষক প্রজা আন্দোলন কমলগঞ্জে স্মার্ট ভূমিসেবা সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জুয়েল হত্যা মামলার আসামীদের রক্ষার চেষ্টা করছে একটি চক্র

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১
  • ৩২০ বার দেখা হয়েছে

আমিনুল ইসলাম (হিমেল)
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর বাজারের দোকান মালিক জুয়েল আহমেদ (৪৫) হত্যা মামলার আসামিরা। মামলার আসামীদের রক্ষা করার জন্য একটি প্রভাবশালী চক্র কাজ করছে বলে নিহতের পরিবারের অভিযোগ। এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন নিহতের স্ত্রী ও মামলার বাদী বুশরা বেগম। তবে পুলিশ বলছে আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশী জোর তৎপরতা চলছে।

জানা যায়, উপজেলার শমশেরনগর বাজারে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২১ জুন সকাল সাড়ে ১১টায় শিংরাউলী গ্রামের সিএনজি অটো চালক আহাদ মিয়ার ছেলে মুন্না মিয়া ও তার আত্মীয় আফিল মিয়ার ছেলে তুরন মিয়া অতর্কিতভাবে এসে একই এলাকার মুকুল মিয়ার ছেলে বাপ্পা মিয়াকে বেদড়ক মারপিট করে। এ ঘটনায় মুকুল মিয়ার বন্ধু দোকান মালিক জুয়েল আহমেদ প্রতিবাদ করেছিলেন। পরে হামলাকারীদের পক্ষ নিয়ে এসে সিএনজি অটো চালক শারফিন মিয়ার নেতৃত্বে একদল সিএনজি অটোচালক অতর্কিতে এসে জুয়েল আহমেদকে কিলঘুষি মারলে ঘটনাস্থলে সে গুরুরতভাবে আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই নিহত জুয়েল আহমেদের স্ত্রী বুশরা বেগম বাদি হয়ে বাদি হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা দেখিয়ে কমলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তবে মামলা দায়েরের ২০ দিন গেলেও এখনো পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

নিহতের স্ত্রী ও মামলার বাদী বুশরা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনার ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারিনি। পুরো শমশেরনগরবাসী জানেন একটি প্রভাবশালী চক্র হত্যাকারীদের রক্ষার চেষ্টা করছে। ঘটনার পর থেকে একটি প্রভাবশালী চক্র হত্যাকারীদের সার্বিকভাবে সাহায্য করছে। পুলিশ মরিয়া হয়ে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলেও পারছে না। তার কারণ এই চক্রটি ও কয়েকজন সিএনজি অটো চালক হত্যাকারীদের পরিবারে আর্থিক সহায়তা করতে চাঁদা তোলা শুরু করেছেন। এ খবরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ৪ জন সিএনজি অটো চালককে ফাঁড়িতে নিয়ে শাসন করে।

এ খবরে সিএনজি অটো চালক সমিতির এক নেতা পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টি বুঝতে গেলে পুলিশ কর্মকর্তা উনাকে আচ্ছাসে শাসন করছেন। আসলে হত্যা মামলা নিয়ে এ নেতার আচরণ সবার চোখে পড়ছে। তিনি আরো বলেন, আসামী সিএনজি অটো চালক সমিতির নেতা শারফিন মিয়া খুবই সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। এর আগেও একবার সে তার স্বামী জুয়েল আহমেদের ওপর হামলার চেষ্টা করে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তক্রমে ও দ্রুত আসামীদের গ্রেফতারের জন্য মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়ার সাথে কথা বলেছিলেন। তারপরও পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) মোশারফ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হওয়ার পর থেকে আসামীদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে জোর অভিযান চলছে।

আসামীরা পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা যাচ্ছে না। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সার্কেল) কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে জোর পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে।

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Radwan Ahmed