1. mumin.2780@gmail.com : admin : Muminul Islam
  2. Amenulislam41@gmail.com : Amenul :
  3. smking63568@gmail.com : S.M Alamgir Hossain : S.M Alamgir Hossain
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে চৈত্রঘাট-আমরতল-দেওড়াচড়া সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের দাবি কমলগঞ্জে “ব্রাজিলকে হারিয়ে’ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা কমলগঞ্জে এক একর জমির অভাবে ঝুলে আছে বর্জ্য শোধনাগার প্রকল্প শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে শ্রীমঙ্গলের সমাবেশে, মোসারফ শ্রীমঙ্গলে বৃষ্টির মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গল আগমন উপলক্ষে জনসভা সফল করতে কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে মতবিনিময় কমলগঞ্জে তাঁত বোর্ডের ফ্যাশন ডিজাইন প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান কমলগঞ্জে মরহুম আবদুল মুমিন (আলাল মিয়া) স্মরণে দোয়া মাহফিল ও শিরনী বিতরণ কমলগঞ্জে ৬০ বছর পুরানো গ্রামীণ সড়ক কেটে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) হিফজুল কুরআন মাদ্রাসায় সুধি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

ওরা সুযোগ পেলেই আমাকে শেষ করে দিবে| শেখ হাসিনা

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫০৫ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক নিউজ।।

বলিউড কাঁপানো অসংখ্য নায়িকা ভারতে জন্ম নয়

জাতিসংঘে তৃতীয় বিশ্বের মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে সোচ্চার হওয়ায় হয়তো অনেকের বিরাগভাজন হতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন যে, মা বাবা ভাই ও ভাবিসহ পরিবারের সকলকে হত্যা করার পর ১৯৮১ইং সালে যখন বাংলাদেশ ফিরেছি, তখন জীবন হাতে নিয়েই ফিরেছি। আমি জানি যে, ওরা আমাকেও সুযোগ পেলেই শেষ করে দিবে। ন্যায় আর সত্যের জন্যে যখন কথা বলবো তখন স্বাভাবিকভাবেই জীবন অনেক ঝুঁকিপূর্ণ হবে। সেজন্য সত্য বলবো না, ন্যায়সঙ্গত কথা বলবো না, এটা তো হতে পারে না।

গতকাল শুক্রবার (২৪শে সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় লাগোয়ার্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলের হলরুমে ভার্চুয়ালে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ প্রদত্ত ‘প্রবাসী নাগরিক সংবর্ধনা’ সমাবেশের পর উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে, ‘অনেক হুমকি এসেছে, জেলেও যেতে হয়েছে, তবুও আমি একটু ও থামিনি। কোভিট১৯ ভ্যাকসিন অনেক দেশ পাচ্ছে না। সকলেরই অধিকার রয়েছে টিকা পাবার। তাই আমি ঝুঁকি নিয়েই টিকা সর্বজনীন করার কথা বলেছি। কাউকে না কাউকে তো ঝুঁকি নিতেই হবে। ঝুঁকি নিতে হবে তাদের জন্য, যারা অবহেলিত, শোষিত, বঞ্ছিত-অবশ্যই তাদের জন্য। আমার তো হারাবার কিছু নেই। সবইতো অনেক আগে হারিয়েছি। সুতরাং চিন্তার কোনো কারণ নেই।

তবে গণমাধ্যমের কাছে কোন প্রত্যাশা আছে কিনা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, আমরা তো সবকিছু খুলে দিয়েছি। তাই, পত্রিকাগুলো অপবাদ ছাড়া গঠনমূলক সাংবাদিকতা করতে পারে। দেশের জন্যে যা ভালো তা করবে না এটা তো হতে পারে না। যা মানবিক তাই করবে না-এটাতো হতে পারে না। তাই দায়িত্বশীলতাটা সবদিক থেকে সমানভাবে নিশ্চিত করা দরকার। আমার আমলে তো আমরা মিডিয়াকে সবকিছু খুলে দিয়েছি। যতবেশি পত্রিকা এখন বের হয়, আগে তো একটি

বিটিভি ছিল, রেডিও ছিল, এখনতো আমরা ব্যাপকভাবে খুলে দিয়েছি। তাই বলারও অবাধ সুযোগ, লেখারও অনেক সুযোগ। শুধু একটি কথা বলবো, মানুষের জন্যে যেটি কল্যাণকর, সেটি করা দরকার। সেদিকে আপনারা (সাংবাদিকরা) খেয়াল রাখবেন। সমালোচনা করবেন, তবে সেখানে যাতে এমন কিছু না হয় যে. মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার।

এর আগে হোটেল থেকে ভার্চুয়ালে প্রবাসীদের সংবর্ধনা সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা ৬২ মিনিটের বক্তব্যে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি বিবৃত করেন। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ইমেজ মহিমান্বিত করতে কীভাবে তিনি ভারসাম্য কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন তাও ব্যক্ত করেছেন তিনি। তবে কারো সাথে বৈরিতা নয় সকলের সাথে বন্ধুত্ব। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে বলেও উল্লেখ করেছেন শেখ হাসিনা।

তবে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন যে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মানুষের সামগ্রিক কল্যাণে কাজ করে থাকে। আর বিএনপি- জামাত ক্ষমতায় গিয়ে ব্যক্তিস্বার্থে হরিলুট চালিয়েছে। এতিমের টাকা মেরেও খেয়েছে তারা।

শেখ হাসিনা বলেন যে, প্রবাসীরা করোনার চিকিৎসা-সামগ্রির জন্যে মার্কিন প্রশাসনে দেন-দরবার করেছেন, এজন্যে আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, আমি একটা কথা বলব আমাদের প্রবাসী যারা তারা কিন্তু বাংলাদেশে এখন থেকে বিনিয়োগ করতে পারেন। শুধু আমেরিকাই করবে তা না, আমাদের প্রবাসী আমেরিকানরা

যতদূর পারেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন।

বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে সরকার বাংলাদেশে যে নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা করে দিচ্ছে, তা প্রবাসীদের জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তবে সারাদেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কথাও শেখ হাসিনা বললেন।

উল্লেখ্য যে, জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশন বাংলাদেশের নেতা হিসেবে ১৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে এসেছিলেন 

প্রধানমন্ত্রী হাসিনা।

আজ শনিবার ২৫শে সেপ্টেম্বর সকাল ৮ঘটিকা (বাংলাদেশ সময় শনিবার সন্ধ্যা ৬ঘটিকা) ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে জেএফকে এয়ারপোর্ট ত্যাগ করবেন। ২৯শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার ওয়াশিংটনে অবস্থান করবেন।

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Radwan Ahmed