1. mumin.2780@gmail.com : admin : Muminul Islam
  2. Amenulislam41@gmail.com : Amenul :
  3. smking63568@gmail.com : S.M Alamgir Hossain : S.M Alamgir Hossain
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকর ও অবাধ নির্বাচনের দাবিতে গণবিক্ষোভ লাউয়াছড়ার বাঁধ ভেঙ্গে কমলগঞ্জে ৭-৮টি গ্রাম প্লাবিত শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি কমলগঞ্জে কমলা বাগান উচ্ছেদঃ তদন্তে ৬২৫টি গাছের গোড়া, মালিকের দাবি ১,২০০ গাছ ধ্বংস কমলগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্র কৃষক নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ মৌলভীবাজারে মনিপুরি গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার কমলগঞ্জে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মানববন্ধন,পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ জাল দলিল বানিয়ে নামজারির অভিযোগ, প্রাণনাশের শঙ্কায় জসিম উদ্দিন কমলগঞ্জে চৈত্রঘাট-আমরতল-দেওড়াচড়া সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের দাবি কমলগঞ্জে “ব্রাজিলকে হারিয়ে’ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা

কমলগঞ্জে চলছে কুম্ভ মেলা

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৭৮৬ বার দেখা হয়েছে

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি।।

কমলগঞ্জ পৌরসভায় বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থ ও খেলাধূলা সামগ্রী বিতরণ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউপির তিলকপুর গ্রামে ‘বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখা’র উদ্যোগে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় ৩দিন ব্যাপী শুরু হয়  “শতবর্ষ কুম্ভমেলা” উদযাপন । গত ১৬ই ফেব্রুয়ারী এ মেলা শুরু হয়েছে এবং সমাপ্ত হবে ১৮ই ফেব্রুয়ারী শুক্রবার।কুম্ভ অর্থ কলস (অমৃতের কলস) আর মেলা অর্থ মেল (একত্র) অর্থাৎ অমৃতের কলস হতে অমৃত গ্রহণের জন্য ভক্তবৃন্দের একত্র হওয়ার নামই “কুম্ভমেলা”। হিন্দু ধর্মে ‘কুম্ভমেলা’ চারটি স্থানের কথা উল্লেখ আছে- হরিদ্বার, উজ্জ্বয়িনী, প্রয়াগ ও নাসিকা। 

উল্লেখ্য যে, ভারতের প্রয়াগ নামক স্থানের এক কুম্ভমেলায় ১৬ কোটি ভক্ত একত্রিত হয়েছিল যা টঘঊঝঈঙ সংস্থা স্বীকৃতি প্রদান করেন। বিগত ১০০ বছর পূর্বে কমলগঞ্জের তিলকপুর গ্রামে “কুম্ভমেলা” হিন্দু ধর্মের সাধু, সন্ন্যাসী ও ভক্তদের মাঝে আত্মার শুদ্ধি এবং পরম আত্মার অমৃতবাণী গ্রহণের এক মাধ্যম ছিল, যার ব্যাপ্তী ছিল সাত দিন। ১৯২০ইং সালে প্রয়াত যোগেশ্বর শর্মার বাবা (‘জামাই ঠাকুর’ নামে পরিচিত) তিলকপুর, শ্রীশ্রী গোপীনাথ মন্দির সংলগ্ন স্থানে প্রতীকী কুম্ভ বানিয়ে বাংলাদেশের মণিপুরি সমাজে প্রথম “কুম্ভমেলা” র প্রবর্তন করেন। যা পরবর্তী সেই সময়ে হিন্দুদের ধর্মীয় তীর্থ স্থানে রূপ নেয়। 

১৯২০-১৯৬৫ সাল পর্যন্ত একটানা চলার পর বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারণে তা আর উদযাপন করা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখা’র উদ্যোগে আবারো সেই একই স্থানে “কুম্ভমেলা” পূণঃ উদযাপন করা হচ্ছে। তিন দিন ব্যাপী এই কুম্ভমেলা’য় ধর্মীয় সভা, লীলা কীর্তন, মণিপুরিদের ঐতিহ্য পালা কীর্তন ও হলি প্রতিযোগিতা, যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখার সভাপতি সঞ্জু কুমার সিংহ জানান, তিলকপুর গ্রামবাসীর সহযোগিতায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্য দিয়ে ৩দিন ব্যাপী “শতবর্ষ কুম্ভমেলা” উদযাপন করা হচ্ছে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউপির তিলকপুর গ্রামে ‘বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখা’র উদ্যোগে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় ৩দিন ব্যাপী শুরু হয়  “শতবর্ষ কুম্ভমেলা” উদযাপন । গত ১৬ই ফেব্রুয়ারী এ মেলা শুরু হয়েছে এবং সমাপ্ত হবে ১৮ই ফেব্রুয়ারী শুক্রবার।কুম্ভ অর্থ কলস (অমৃতের কলস) আর মেলা অর্থ মেল (একত্র) অর্থাৎ অমৃতের কলস হতে অমৃত গ্রহণের জন্য ভক্তবৃন্দের একত্র হওয়ার নামই “কুম্ভমেলা”। হিন্দু ধর্মে ‘কুম্ভমেলা’ চারটি স্থানের কথা উল্লেখ আছে- হরিদ্বার, উজ্জ্বয়িনী, প্রয়াগ ও নাসিকা। 

উল্লেখ্য যে, ভারতের প্রয়াগ নামক স্থানের এক কুম্ভমেলায় ১৬ কোটি ভক্ত একত্রিত হয়েছিল যা টঘঊঝঈঙ সংস্থা স্বীকৃতি প্রদান করেন। বিগত ১০০ বছর পূর্বে কমলগঞ্জের তিলকপুর গ্রামে “কুম্ভমেলা” হিন্দু ধর্মের সাধু, সন্ন্যাসী ও ভক্তদের মাঝে আত্মার শুদ্ধি এবং পরম আত্মার অমৃতবাণী গ্রহণের এক মাধ্যম ছিল, যার ব্যাপ্তী ছিল সাত দিন। ১৯২০ইং সালে প্রয়াত যোগেশ্বর শর্মার বাবা (‘জামাই ঠাকুর’ নামে পরিচিত) তিলকপুর, শ্রীশ্রী গোপীনাথ মন্দির সংলগ্ন স্থানে প্রতীকী কুম্ভ বানিয়ে বাংলাদেশের মণিপুরি সমাজে প্রথম “কুম্ভমেলা” র প্রবর্তন করেন। যা পরবর্তী সেই সময়ে হিন্দুদের ধর্মীয় তীর্থ স্থানে রূপ নেয়। 

১৯২০-১৯৬৫ সাল পর্যন্ত একটানা চলার পর বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারণে তা আর উদযাপন করা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখা’র উদ্যোগে আবারো সেই একই স্থানে “কুম্ভমেলা” পূণঃ উদযাপন করা হচ্ছে। তিন দিন ব্যাপী এই কুম্ভমেলা’য় ধর্মীয় সভা, লীলা কীর্তন, মণিপুরিদের ঐতিহ্য পালা কীর্তন ও হলি প্রতিযোগিতা, যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখার সভাপতি সঞ্জু কুমার সিংহ জানান, তিলকপুর গ্রামবাসীর সহযোগিতায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্য দিয়ে ৩দিন ব্যাপী “শতবর্ষ কুম্ভমেলা” উদযাপন করা হচ্ছে।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি।।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউপির তিলকপুর গ্রামে ‘বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখা’র উদ্যোগে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় ৩দিন ব্যাপী শুরু হয়  “শতবর্ষ কুম্ভমেলা” উদযাপন । গত ১৬ই ফেব্রুয়ারী এ মেলা শুরু হয়েছে এবং সমাপ্ত হবে ১৮ই ফেব্রুয়ারী শুক্রবার।কুম্ভ অর্থ কলস (অমৃতের কলস) আর মেলা অর্থ মেল (একত্র) অর্থাৎ অমৃতের কলস হতে অমৃত গ্রহণের জন্য ভক্তবৃন্দের একত্র হওয়ার নামই “কুম্ভমেলা”। হিন্দু ধর্মে ‘

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউপির তিলকপুর গ্রামে ‘বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখা’র উদ্যোগে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় ৩দিন ব্যাপী শুরু হয়  “শতবর্ষ কুম্ভমেলা” উদযাপন । গত ১৬ই ফেব্রুয়ারী এ মেলা শুরু হয়েছে এবং সমাপ্ত হবে ১৮ই ফেব্রুয়ারী শুক্রবার।কুম্ভ অর্থ কলস (অমৃতের কলস) আর মেলা অর্থ মেল (একত্র) অর্থাৎ অমৃতের কলস হতে অমৃত গ্রহণের জন্য ভক্তবৃন্দের একত্র হওয়ার নামই “কুম্ভমেলা”। হিন্দু ধর্মে ‘কুম্ভমেলা’ চারটি স্থানের কথা উল্লেখ আছে- হরিদ্বার, উজ্জ্বয়িনী, প্রয়াগ ও নাসিকা। 

উল্লেখ্য যে, ভারতের প্রয়াগ নামক স্থানের এক কুম্ভমেলায় ১৬ কোটি ভক্ত একত্রিত হয়েছিল যা টঘঊঝঈঙ সংস্থা স্বীকৃতি প্রদান করেন। বিগত ১০০ বছর পূর্বে কমলগঞ্জের তিলকপুর গ্রামে “কুম্ভমেলা” হিন্দু ধর্মের সাধু, সন্ন্যাসী ও ভক্তদের মাঝে আত্মার শুদ্ধি এবং পরম আত্মার অমৃতবাণী গ্রহণের এক মাধ্যম ছিল, যার ব্যাপ্তী ছিল সাত দিন। ১৯২০ইং সালে প্রয়াত যোগেশ্বর শর্মার বাবা (‘জামাই ঠাকুর’ নামে পরিচিত) তিলকপুর, শ্রীশ্রী গোপীনাথ মন্দির সংলগ্ন স্থানে প্রতীকী কুম্ভ বানিয়ে বাংলাদেশের মণিপুরি সমাজে প্রথম “কুম্ভমেলা” র প্রবর্তন করেন। যা পরবর্তী সেই সময়ে হিন্দুদের ধর্মীয় তীর্থ স্থানে রূপ নেয়। 

১৯২০-১৯৬৫ সাল পর্যন্ত একটানা চলার পর বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারণে তা আর উদযাপন করা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখা’র উদ্যোগে আবারো সেই একই স্থানে “কুম্ভমেলা” পূণঃ উদযাপন করা হচ্ছে। তিন দিন ব্যাপী এই কুম্ভমেলা’য় ধর্মীয় সভা, লীলা কীর্তন, মণিপুরিদের ঐতিহ্য পালা কীর্তন ও হলি প্রতিযোগিতা, যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখার সভাপতি সঞ্জু কুমার সিংহ জানান, তিলকপুর গ্রামবাসীর সহযোগিতায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্য দিয়ে ৩দিন ব্যাপী “শতবর্ষ কুম্ভমেলা” উদযাপন করা হচ্ছে।

‘ চারটি স্থানের কথা উল্লেখ আছে- হরিদ্বার, উজ্জ্বয়িনী, প্রয়াগ ও নাসিকা। 

উল্লেখ্য যে, ভারতের প্রয়াগ নামক স্থানের এক কুম্ভমেলায় ১৬ কোটি ভক্ত একত্রিত হয়েছিল যা টঘঊঝঈঙ সংস্থা স্বীকৃতি প্রদান করেন। বিগত ১০০ বছর পূর্বে কমলগঞ্জের তিলকপুর গ্রামে “কুম্ভমেলা” হিন্দু ধর্মের সাধু, সন্ন্যাসী ও ভক্তদের মাঝে আত্মার শুদ্ধি এবং পরম আত্মার অমৃতবাণী গ্রহণের এক মাধ্যম ছিল, যার ব্যাপ্তী ছিল সাত দিন। ১৯২০ইং সালে প্রয়াত যোগেশ্বর শর্মার বাবা (‘জামাই ঠাকুর’ নামে পরিচিত) তিলকপুর, শ্রীশ্রী গোপীনাথ মন্দির সংলগ্ন স্থানে প্রতীকী কুম্ভ বানিয়ে বাংলাদেশের মণিপুরি সমাজে প্রথম “কুম্ভমেলা” র প্রবর্তন করেন। যা পরবর্তী সেই সময়ে হিন্দুদের ধর্মীয় তীর্থ স্থানে রূপ নেয়। 

১৯২০-১৯৬৫ সাল পর্যন্ত একটানা চলার পর বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারণে তা আর উদযাপন করা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখা’র উদ্যোগে আবারো সেই একই স্থানে “কুম্ভমেলা” পূণঃ উদযাপন করা হচ্ছে। তিন দিন ব্যাপী এই কুম্ভমেলা’য় ধর্মীয় সভা, লীলা কীর্তন, মণিপুরিদের ঐতিহ্য পালা কীর্তন ও হলি প্রতিযোগিতা, যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মণিপুরি যুবকল্যাণ সমিতি, তিলকপুর শাখার সভাপতি সঞ্জু কুমার সিংহ জানান, তিলকপুর গ্রামবাসীর সহযোগিতায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্য দিয়ে ৩দিন ব্যাপী “শতবর্ষ কুম্ভমেলা” উদযাপন করা হচ্ছে।

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Radwan Ahmed