সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে মাদরাসাছাত্রীকে ফুসলিয়ে অপহরণ ও টাকা চুরির অভিযোগ, থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জে স্কুল ছাত্রী নিখোঁজ, সিসিটিভিতে নারীর সঙ্গে মেয়েটিকে দেখা গেছে কমলগঞ্জে রাজকান্দি রেঞ্জে বনভূমি দখল ও পান জুম, অভিযোগের আড়ালে কী ঘটছে কমলগঞ্জে ডিএইচএমএস ডাঃ এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকর ও অবাধ নির্বাচনের দাবিতে গণবিক্ষোভ লাউয়াছড়ার বাঁধ ভেঙ্গে কমলগঞ্জে ৭-৮টি গ্রাম প্লাবিত শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি কমলগঞ্জে কমলা বাগান উচ্ছেদঃ তদন্তে ৬২৫টি গাছের গোড়া, মালিকের দাবি ১,২০০ গাছ ধ্বংস কমলগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্র কৃষক নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ মৌলভীবাজারে মনিপুরি গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সুমন হত্যায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ১

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ৭০২ বার দেখা হয়েছে

টিপ নিয়ে তেজগাঁও কলেজের শিক্ষিকাকে হেনস্তা করায় আটক পুলিশ

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি।।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলেপুর গ্রামের বাসিন্ধা আতিকুর রহমান সুমন ২৮ হত্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১ জনকে আটক করেছে। 

এদিকে ময়নাতদন্তকারীরা কর্মকর্তারা বলেছেন যে, নিহত সুমনের শরীরে কোন গুলির চিহৃ পাওয়া যায়নি। ধারলো কোন অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। অপরদিকে সোমবার রাতেই সুমনের লাশ কমলগঞ্জে গ্রামের বাড়ীতে রাত ৯টায় দাফন কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

তবে জানা যায় যে, কমলগঞ্জ পৌর কাউন্সিলর শেখ জসিম উদ্দিন সাকিল  ও নিহতের দুই ভাই সুমনের মৃত্যুর ঘটনা জানতে পেয়ে ব্রাক্ষণবাড়ীয়ার নবীনগর থানায় মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর হাসপাতালে সুমনের মরদেহের ময়না তদন্ত করানো হয়। ময়না তদন্ত শেষে সোমবার রাতে সুমনের লাশ নিজ বাড়ী আলেপুর গ্রামে নিয়ে আসা হলে তার মা রহিমা বেগম ও ভাই-বোন আত্নীয় স্বজনের মধ্যে কান্না রোল পড়ে যায়। তার মা ও বোনেরা বার বার মুর্ছা যেতে দেখা যায়। এ সময় আশপাশে এলাকায় এক হৃদয় বিধারক দৃর্শের অবতারনা হয়। নিহতের লাশ এক নজর দেখার জন্য এলাকার লোকজনেে ভিড়লাগে। পড়ে রাত ৯টায় আলেপুর জামে মসজিদের সম্মুখে তার নামাজের জানাযা শেষে আলেপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে নিহত সুমনের গ্রামের অনেকের সাথে আলাপকালে জানা যায় যে, একই গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে সোহেল সুমনকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে। কারন জানতে চাইলে তারা জানায় যে, সুমন নিজ বাড়িতে কিছু করতে পারেনি। নিজ ঘরটাও আজ পর্যন্ত ঠিক করতে পারেনি। যেখানে সুমন ব্যবসা করে সেখানে সুমন ভালো উন্নতি করতে পেরেছে। এলাকা থেকে সোহেল নামে ছেলেটাকে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সুমনের কাছে নিয়ে কাজ শিখিয়ে সবকিছু দেখা শোনার দায়িত্বে রাখে। যার কাল হয়ে দাড়িয়েছে সুমনের মৃত্যু। এর কারনেই সুমনকে সোহেল সুপরিকল্পীত ভাবে হত্যা করে।

এ ঘটনায় কমলগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর শেখ জসিম উদ্দিন সাকিল বলেন, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকরা তাকে নিশ্চিত করেছেন নিহত সুমনের শরীরের কোথাও গুলির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তাকে ধারলো কোন অস্ত্রের আঘাতে

হত্যা করা হয়। তিনি আরোও বলেন যে, ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক তাকে স্ব-শরীরে  লাশ কাটা ঘরে নিয়ে গিয়ে কাটা-চেঁড়া লাশ দেখান। 

অপরদিকে ঘটনার পর নবীনগর থানা পুলিশ এ ঘটনায় তার সাথে থাকা (কমলগঞ্জের আলেপুর গ্রামের) একই গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়াকে জিঞ্জাসাবাদের জন্য আটক করেছে।

নবীনগর থানার ওসি তদন্ত নুরে আলমের সাথে মোটোফোনে আলাপকালে তিনি জানান যে, সুমনকে গুলি করে নয় এককাচ্চা ব্যবহার করে (এটি সুচের মতো ধারলো অস্ত্র) হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরোও বলেন যে, সুমনের সাথে থাকা একই এলাকার যুবক সোহেলের কথাবার্তায় সন্দেহ হওয়ার কারনে তাকে জিঞ্জাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এখনো জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

উল্লেখ্য যে, ফানির্চার দোকানের মালিক সুমনকে সোমবার ভোর ৫টায় নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের বাঘাউড়া গ্রামে হত্যা ঘটনা ঘটেছিল। 

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Arolaxltd