1. mumin.2780@gmail.com : admin : Muminul Islam
  2. Amenulislam41@gmail.com : Amenul :
  3. smking63568@gmail.com : S.M Alamgir Hossain : S.M Alamgir Hossain
কমলগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য আলোচনা অনুষ্ঠিত - আলোরদেশ২৪
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদুল আযহা উপলক্ষে আগাম বুকিং কম চায়ের রাজ্য কমলগঞ্জে মণিপুরী সমাজ কল্যাণ সমিতির নির্বাচন ১৪ই জুন কুয়েতে ভবনে আগুন মালিকদের লোভকে দুষলেন উপ-প্রধানমন্ত্রী কমলগঞ্জে আব্দুল গফুর চৌধুরী মহিলা কলেজে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল কমলগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কমলগঞ্জের ভানুবিলে কৃষক প্রজা আন্দোলন কমলগঞ্জে স্মার্ট ভূমিসেবা সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কমলগঞ্জ উপজেলা ইউনিট এর অভিষেক কুমিল্লায় কোরবানি পশুর হাটের ইজারা নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ কমলগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত-১

কমলগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য আলোচনা অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৫৭ বার দেখা হয়েছে


অনলাইন ডেস্ক নিউজ ::

কমলগঞ্জে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:)। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জন্ম ও ওফাত দিবস। দিনটি সমগ্র বিশ্বে মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে ২৯শে আগস্ট, রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ সোমবার, সূর্যোদ্বয়ের ঠিক পূর্বমুহূর্তে, সুবহে সাদিকের সময় মহাকালের এক মহাক্রান্তিলগ্নে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আবার ৬৩ বছরের এক মহান আদর্শিক জীবন অতিবাহিত করে ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ৮ই জুন, ১১ হিজরি রবিউল আউওয়াল মাসের ১২ তারিখ একই দিনে তিনি পরলোক গমন করেন। দিনটি মুসলিম সমাজে ‘ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) নামে সমধিক পরিচিত। ঈদ, মিলাদ আর নবী তিনটি শব্দ যোগে দিবসটির নামকরণ হয়েছে। ঈদ অর্থ- আনন্দোৎসব, মিলাদ অর্থ- জন্মদিন আর নবী অর্থ নবী বা ঐশী বার্তাবাহক।

তাহলে ঈদে মিলাদুন্নবীর অর্থ দাঁড়ায় নবীর জন্মদিনের আনন্দোৎসব। ১২ রবিউল আউওয়াল একই সাথে মহানবীর জন্ম ও মৃত্যু দিবস হলেও তা শুধু জন্মোৎসব হিসেবেই পালিত হয়।

যদিও তার মুত্যুর চেয়ে অধিক বেদনাদায়ক কোনো বিষয় উম্মতের জন্য হতে পারে না। তিনি প্রেরিত হয়েছিলেন সমগ্র পৃথিবীর জন্য আল্লাহর রহমত হিসেবে। এরশাদ হয়েছে, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি । (সূরা আল-আম্বিয়া : ১০৭) এরশাদ হয়েছে, আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের জীবন বিধানকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, তোমাদের ওপর আমার নেয়ামতরাজিকে পূর্ণতা দিলাম আর ইসলামকে তোমাদের একমাত্র জীবন বিধান হিসেবে মনোনীত করলাম। (সুরা আল-মায়িদা ; ৩)

রবিউল আউওয়াল মাস এলে মুসলিম সমাজে মিলাদ মাহফিল ও সিরাত মাহফিল আয়োজনের ধুম পড়ে যায়। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা:) যে আদর্শের সুষমা দিয়ে একটি বর্বর জাতিকে আদর্শ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরির মতো ফুটতে থাকা একটি সমাজকে শান্তির সুশীতল ছায়াতলে এনে দিয়েছিলেন; সেই মহান আদর্শে উত্তরণের কোনো চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায় না। মহানবীর আদর্শ অনুসরন না করে শুধু মিলাদ মাহফিল আর সিরাত মাহফিল আয়োজনে কোনো লাভ নেই। কারণ মহান আল্লাহ রাসুলুল্লাহ (সা:)-এর আদর্শকে জীবনে ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এরশাদ হয়েছে, ‘হে রাসুল! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবেসে থাক তাহলে আমাকে অনুসরণ করো, আল্লাহ তায়ালা তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু। (সুরা আল-মায়িদা : ৩১) রাসুলুল্লাহ (সা:) চারিত্রিক শ্রেষ্ঠত্বের মাধ্যমেই একটি শ্রেষ্ঠ জাতি গঠন করেছিলেন। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন নিশ্চয়ই আমি সর্বোত্তম চরিত্রের পূর্ণাঙ্গতা সাধনের জন্য প্রেরিত হয়েছি। (ইবনে মাজা) রাসুলুল্লাহ (সা:)-এর আদর্শ ধারণ করেই সাহাবায়ে কেরাম (রা:) যুগের সর্বোত্তম মানুষ হতে পেরেছিলেন। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা:) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন : সর্বোত্তম মানুষ হলো আমার যুগের মানুষ, অতঃপর তাদের পরবর্তী যুগের মানুষ, তারপর তাদের পরবর্তী যুগের মানুষ। (সহীহ বোখারি)

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা:) একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসুলুল্লা (সা:) বলেছেন : কোনো মুসলমানকে গালি দেওয়া ফাসেকি আর তাকে হত্যা করা কুফরি। (বোখারি-মুসলিম) হজরত আবু জার গিফারি(রা:) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ(সা;)বলেছেন যখন কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির প্রতি ফাসেকি বা কুফরির অপবাদ নিক্ষেপ করে তখন অভিযুক্ত ব্যক্তি তার উপযুক্ত না হলে অপবাদ নিক্ষেপকারীর দিকে তার অপবাদ ফিরে আসে।(সহীহ বোখারি)

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:)-এর আগমন খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ(সা:)গোত্রীয় শাসনের স্বৈরাচারে দগ্ধ, মুষ্টিমেয় বিত্তশালীর শোষণে নিঃস্ব, সামাজিক দূরাচারে অতিষ্ঠ মানুষের মুক্তির স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তাওহিদের বাণী প্রচারের দায়ে স্বজাতির নির্যাতনে নিরুপায় হয়ে জন্মভূমি ছেড়ে মদিনায় হিজরতে বাধ্য হয়েছিলেন। অতঃপর ঐতিহাসিক মদিনা সনদ প্রণয়নের মাধ্যমে ইহুদি, পৌত্তলিক, খ্রিস্টান ও মুসলমানদের নিয়ে মদিনাতে একটি স্বাধীন-স্বতন্ত্র জাতি ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। অল্প সময়ের ব্যবধানে রাসুলের আদর্শিক জাগরণ সমগ্র আরব উপদ্বীপকে আয়ত্ত্ব করে নিয়েছিল। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক সুশাসন, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন একটি সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আজ মানুষ একে অপরের দ্বারা নির্যাতিত ও অধিকার বঞ্চিত হচ্ছে  তখন ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) এর প্রতিপাদ্য বিষয় হোক রাসুলের ভালোবাসার দাবিতে সংঘাত নয়, চাই রাসুলের আদর্শের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ শান্তিপূর্ণ একটি সমাজ।

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কমলগঞ্জ
পৌর মেয়র জুয়েল আহমেদ এর নেতৃত্বে ভানুগাছ বাজারে বিভিন্ন রাস্তায় র‍্যালি হয়। র‍্যালি শেষে পৌরসভা প্রাঙ্গানে
এক আলোচনা সভা মিলাদ মাহফিল ও শিরনী বিতরণি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Radwan Ahmed