সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে মাদরাসাছাত্রীকে ফুসলিয়ে অপহরণ ও টাকা চুরির অভিযোগ, থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জে স্কুল ছাত্রী নিখোঁজ, সিসিটিভিতে নারীর সঙ্গে মেয়েটিকে দেখা গেছে কমলগঞ্জে রাজকান্দি রেঞ্জে বনভূমি দখল ও পান জুম, অভিযোগের আড়ালে কী ঘটছে কমলগঞ্জে ডিএইচএমএস ডাঃ এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকর ও অবাধ নির্বাচনের দাবিতে গণবিক্ষোভ লাউয়াছড়ার বাঁধ ভেঙ্গে কমলগঞ্জে ৭-৮টি গ্রাম প্লাবিত শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি কমলগঞ্জে কমলা বাগান উচ্ছেদঃ তদন্তে ৬২৫টি গাছের গোড়া, মালিকের দাবি ১,২০০ গাছ ধ্বংস কমলগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্র কৃষক নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ মৌলভীবাজারে মনিপুরি গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

শ্রীমঙ্গলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের আলোচনা সভা

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১
  • ১১১০ বার দেখা হয়েছে

শাহাদাত হোসেন অপু, শ্রীমঙ্গল(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি।।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধু হত্যার পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন আন্দোলনের স্মৃতি চরনে দুই মুক্তিযোদ্ধা আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ সোমবার (৩০শে আগস্ট) বিকালে শহরতলীর মৌলভীবাজার রোডস্থ বারিধারা আবাসিক এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু শহিদ আব্দুল্লাহ নিজ বাস ভবন চন্দ্রিমা ভিলায় এ স্মৃতি চরনে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু মোঃ শহিদ আব্দুল্লাহ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বিরাজ সেন তরুন।

এসময় মুক্তিযোদ্ধারা লিখিত বক্তব্যে বলেন যে, আসলে বঙ্গবন্ধুর পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ একটি অস্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল।

যেখানে খুন, গুম, হত্যা, রাহাজানি সহ বিশেষ করে যারা বঙ্গবন্ধু আওয়ামী পরিবারকে খুব ভালবাসতো তাদের উপর নেমে আসে অত্যাচারের স্টিমরোলার। খন্দকার মোশতাকের শাসন আমল থেকেই যারা বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ কর্মী ছিল তাদেরকে বেছে বেছে তালিকা করে তাদের উপর চালানো হতো অত্যাচার ও নির্যাতন। এমনকি সামাজিকভাবে তাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করতে সাজানো হতো মিথ্যা নাটক।

মোস্তাক বাহিনী পর পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে থেকে আগের রূপে হামলা-মামলা, গুম-খুনের স্টিমরোলার চালানো হয় আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত হৃদয় থেকে ভালবাসেন তাদের উপর ও বিশেষায়িত করে আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের উপর।

এরপর জাতীয় পার্টির প্রেসিডেন্ট হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের উপর নির্যাতন চলছিল তা যেন আরো তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠে। তখন সময়ে জাতীয় পার্টির অনেক গুণ্ডাবাহিনী আমাদের শ্রীমঙ্গলে বঙ্গবন্ধুর নামটি উচ্চারণ করতে দিত না। যখন আমরা শ্রীমঙ্গলে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করি তখন সময়ে অনেকে আমাদের উপর গুলি পর্যন্ত চালায়। পরবর্তীতে তখন তাদের কারণে আমাদেরকে জেলে প্রেরণ করা হয়। এর পরবর্তীতে জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যখন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করা হয় তখন আমাকে শ্রীমঙ্গলের আহব্বায়ক করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

পরিশেষে বলতে চাই, আমি আমার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জন্য আমার শরীরের শেষ বিন্দু পর্যন্ত আমি পাশে ছিলাম, পাশে আছি এবং পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Arolaxltd