1. mumin.2780@gmail.com : admin : Muminul Islam
  2. Amenulislam41@gmail.com : Amenul :
  3. smking63568@gmail.com : S.M Alamgir Hossain : S.M Alamgir Hossain
গ্রীষ্মকালে মাচায় তরমুজ চাষের লাভবান কৃষক - আলোরদেশ২৪
সংবাদ শিরোনাম :
বিসমিল্লাহ এলপিজিগ্যাস স্টেশন এর ৩য় বছর পূর্তি কমলগঞ্জের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র শমশেরনগর গল্ফ মাট খুঁড়ে ফেলছে বাগান কর্তৃপক্ষ মৌলভীবাজার-৪ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন এড.মোহাম্মদ আব্দুর রব,লড়াইয়ে বাকি ৬ জন কমলগঞ্জে বিওয়াইসি আয়োজনেব্লক, বাটিক ও প্রিন্ট প্রশিক্ষণ সড়ক উন্নয়ন কাজে বিপর্যস্ত শিক্ষা কার্যক্রম, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা বিয়ের কাবিনের জমিতে গড়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) সংসদীয় আসনে ৮ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল জুলাই যুদ্ধা হাদি আর নেই, সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি কমলগঞ্জে মহান বিজয় দিবসে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও পুরস্কার বিতরণ চিতলীয়া প্রবাসী কল্যাণ সংগঠন এর শীতবস্ত্র বিতরণ

গ্রীষ্মকালে মাচায় তরমুজ চাষের লাভবান কৃষক

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ৫৭৮ বার দেখা হয়েছে

আমিনুল ইসলাম হিমেল।।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় গ্রীষ্ম মৌসুমে হলুদ জাতের তরমুজ চাষ করে অভাবনীয় এক সাফল্যের মুখা দেখা পেয়েছেন কৃষক আব্দুল মতিন। তার এ সাফল্যে বিস্মিত খোদ কৃষি বিভাগ। রসালো ও সুস্বাদু ফল হিসেবে তরমুজের খ্যাতি রয়েছে বিশ্বজুড়ে, এছাড়াও গরমের সময় শরীরে পানি শূন্যতা রোধে তরমুজের জুড়ি নেই।

বলিউড কাঁপানো অসংখ্য নায়িকা ভারতে জন্ম নয়

এবিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং লাল তীরের সার্বিক সহযোগিতায় গ্রীষ্ম মৌসুমে ব্রাকবেরি, মধুমালা ও হলুদ রঙের লালতীরের ল্যান্ড ফাই জাতের হলুদ হাইব্রিড তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষক।

করোনায় আকান্ত সাবেক অর্থমন্ত্রী

সরজমিনে দেখা যায় যে, উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা চা বাগান সংলগ্ন দুই বিঘা জমিতে উন্নত ব্রাকবেরি, মধুমালা ও হলুদ রঙের লালতীরের ল্যান্ড ফাই জাতের তরমুজগুলো সুন্দরভাবে বাশের মাঁচায় ঝুলছে। আব্দুল মতিনের বাম্পার ফলনে কৃষি বিভাগ এ উচ্চ ফলনশীল তরমুজের বীজ অনান্য উপজেলায়ও বিস্তার ঘটানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বীজ রোপনের ৬৭ দিনেই গাছে ফল ধরে খাওয়ার উপযোগী হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে আব্দুল মতিন রসালো ও সুস্বাদু এই ফল বাজারজাত করা শুরু হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বললেন আমাদের সততার অভাব

তিনি আরও জানান যে, তিন জাতের মধ্যে হলুদ রঙের লালতীরের হাইব্রিড, ল্যান্ড ফাই জাতটি সর্বাধিক ফলন হয়। ফলের ওজন এবং আকারে সবাইকে আকর্ষণ করেছে। শুধু আকার নয় এর স্বাদও অসাধারণ মধুর মতো মিষ্টি। বাজারে এর দামও ভালো পাচ্ছেন। এই তিন জাতের তরমুজ চাষ করতে এখন পর্যন্ত খরচ হয়েছে তার ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। আর বিক্রি করেছেন প্রায় দেড় লাখ টাকা। মাঠে যে পরিমাণ তরমুজ রয়েছে এতে তিনি আরো দেড় থেকে দুই লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবেন বলে আশাবাদী। ল্যান্ড ফাই জাতটির ফলন অন্যান্যদের চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি এবং এ ফলের ওজন এক একটি তিন থেকে চার কেজি এবং ফলে মিষ্টির পরিমাণও অন্যান্য জাতের চেয়ে অনেক গুণ বেশি। তাই আগামীতে তিনি ব্যাপকভাবে এ জাতের তরমুজ চাষ করবেন বলে জানান।

কমলগঞ্জে গৃহবধুর লাশ মাটির নিচ থেকে উদ্ধার

ইতোমধ্যে ফলন দেখতে তার জমি পরিদর্শন করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকসহ স্থানীয় আশপাশের কৃষকরাও। তারাও আগামীতে ব্যাপকভাবে এ জাতের তরমুজের চাষ করবেন বলে আগ্রহ প্রকাশ করেন।এ প্রদর্শনীর বীজেরর উৎস প্রতিষ্ঠান হলো লালতীর সীড  লিমিটেড এর বিভাগীয় ব্যবস্থাপক তাপস চক্রবর্তী জানান যে, হাইব্রিড, ল্যান্ড ফাই জাতটি সবুজ ডোরাকাটা ও ভিতরে হলুদ রঙ্গের শাসযুক্ত, অধিক মিষ্টি। উত্তম পরিচর্যায় একেকটি তরমুজ এর ওজন হয় ৫ থেকে ৬ কেজি। সারা বছরব্যাপী মাচায় ও মাঠে চাষ করা যায়। এফলের পরিপক্বতার সময় আসে ৬৫ থেকে ৭০দিনে।জাতটি চাষ করতে প্রতি শতকে বীজের পরিমাণ লাগে মাত্র ১ গ্রাম। উত্তম পরিচর্যাতে ফলন উৎপাদন হয় ৩০ থেকে ৩৫টন। কৃষকরা উপযুক্ত দাম পেলে এই জাতগুলো চাষে দিন দিন আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

এ প্রসঙ্গে মৌলভীবাজার জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী জানান, এ প্রদর্শনীতে তিন জাতের বীজ লাগানো  হয়েছে । এর মধ্যে অধিক ফলনও ফলের মিষ্টতার পরিমানেও সবদিক থেকে এগিয়ে কৃষকের মন জয় করেছে হাইব্রিড, ল্যান্ড ফাই জাতটি। তিনি জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও  কৃষকদের মধ্যে এ জাতগুলোর চাষ ছড়িয়ে দিতে চান যেন, কৃষকরা উচ্চ মূল্যের ফল এবং সবজি চাষ করে বেশি লাভবান হয়।

কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, এটি একটি উচ্চ মূল্যের ফসল কৃষকরা চাষ করলে সহজেই অল্পদিনে অধিক লাভ করতে পারবে। বীজ রোপনের ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যেই ফল পরিপক্ব হয়। এবছর অধিক বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে কোনো রোগ-ব্যধির প্রাদুর্ভাব ছিলনা। আশাকরি আগামী বছর এই জাতের তরমুজ চাষ আরো বাড়বে এবং কৃষকরা লাভবান হবেন।

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Radwan Ahmed