সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞার জমিতে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ কমলগঞ্জে মাদরাসাছাত্রীকে ফুসলিয়ে অপহরণ ও টাকা চুরির অভিযোগ, থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জে স্কুল ছাত্রী নিখোঁজ, সিসিটিভিতে নারীর সঙ্গে মেয়েটিকে দেখা গেছে কমলগঞ্জে রাজকান্দি রেঞ্জে বনভূমি দখল ও পান জুম, অভিযোগের আড়ালে কী ঘটছে কমলগঞ্জে ডিএইচএমএস ডাঃ এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকর ও অবাধ নির্বাচনের দাবিতে গণবিক্ষোভ লাউয়াছড়ার বাঁধ ভেঙ্গে কমলগঞ্জে ৭-৮টি গ্রাম প্লাবিত শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি কমলগঞ্জে কমলা বাগান উচ্ছেদঃ তদন্তে ৬২৫টি গাছের গোড়া, মালিকের দাবি ১,২০০ গাছ ধ্বংস কমলগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্র কৃষক নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ

ফলোআপ-  কমলগঞ্জে শাবল দিয়ে পিতা হত্যাকারী ঘাতক ছেলে গ্রেপ্তার

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০২২
  • ৪৮৯ বার দেখা হয়েছে

কমলগঞ্জে ডাক্তারের অবহেলায় সাপের কামড়ে মহিলার মৃত্যু

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি।।

বাবাকে হত্যার পর ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন ঘাতক ছেলে জহিরুল ইসলাম (৩১)।

বুধবার (১লা জুন) বিকেল পৌনে ৬টায় কমলগঞ্জের শমসেরনগর ইউনিয়নের ডাবলছড়া সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করে কমলগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) পবিত্র শেখর দাস জানান, জহিরুল ইসলাম ডাবলছড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্ঠা করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে ডাবলছড়া বাগানের বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া জহিরুলের বিরুদ্ধে তার পিতৃ হত্যার মামলা রয়েছে।
এ মামলার বাদী তার বড় বোন মরিয়ম বেগম।

২৯শে মে মধ্যরাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার আদমপুরের কেওয়ালীঘাট গ্রামে জহিরুল ইসলামের ধারালো খন্তির আঘাতে তার বাবা গফুর মিয়া (৫৫) ও মা আছাতুন নেছা (৪৮) গুরুতর আহত হন।
তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে নেওয়ার পথে পথিমধ্যে মারা যান গফুর মিয়া। আছাতুন নেছার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।তিনি এখনো ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনার পর মাদকাসক্ত ছেলে জহিরুল ইসলাম পালিয়ে যায়।
পরদিন ৩০ মে এ ঘটনায় নিহতের বড় মেয়ে মরিয়ম বেগম বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়ারদৌস হাসান বলেন, ঘটনার পর থেকে পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খোঁজছিল। তাকে ধরতে বিভিন্ন সীমান্তে নজর রাখা হচ্ছিল।সোর্সের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তার সন্ধান মেলেন। ডাবলছড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ওঁৎ পেতে থাকা পুলিশ তাকে গ্রেফতার।

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Arolaxltd