সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে মাদরাসাছাত্রীকে ফুসলিয়ে অপহরণ ও টাকা চুরির অভিযোগ, থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জে স্কুল ছাত্রী নিখোঁজ, সিসিটিভিতে নারীর সঙ্গে মেয়েটিকে দেখা গেছে কমলগঞ্জে রাজকান্দি রেঞ্জে বনভূমি দখল ও পান জুম, অভিযোগের আড়ালে কী ঘটছে কমলগঞ্জে ডিএইচএমএস ডাঃ এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকর ও অবাধ নির্বাচনের দাবিতে গণবিক্ষোভ লাউয়াছড়ার বাঁধ ভেঙ্গে কমলগঞ্জে ৭-৮টি গ্রাম প্লাবিত শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি কমলগঞ্জে কমলা বাগান উচ্ছেদঃ তদন্তে ৬২৫টি গাছের গোড়া, মালিকের দাবি ১,২০০ গাছ ধ্বংস কমলগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্র কৃষক নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ মৌলভীবাজারে মনিপুরি গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

দিরাই পল্লীবিদ্যুৎ এর বিল অফিসে বসেই তৈরি করে কর্মকর্তারা

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪
  • ২৫৭ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক নিউজ ::

কমলগঞ্জে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব গ্রহণ

সম্প্রতি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নের শিববাজারে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে বন্ধ রাখা একটি বরফ মিলের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিপাকে রয়েছেন মিলের মালিক। মিল কল বন্ধ থাকার পরও কিভাবে এত টাকা বিল আসে এ নিয়ে কেবলই মিল মালিক নয় এমন অভিযোগ স্থানীয় অনেক গ্রাহকের রয়েছে।

সরেজমিনে শিববাজার গিয়ে ঘুরে এবং ভুক্তভোগী পল্লী বরফ কলের বর্তমান মালিক শ্যামল চন্দ্র সরকার (অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য) জানান, বিগত বিলগুলো বারবার সংশোধন করার পরেও চলতি বছরের গত দুই ( এপ্রিল ও মে ) মাসে বন্ধ থাকা বর্তমান বিদ্যুৎ মিটার রিডিং এর চেয়ে অনেক বেশী বিল দাড়ঁ করিয়েছে দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্তৃপক্ষ। এই বরফ মিলটি দুইমাস পূর্বে বন্ধ করার সময় বিদ্যুৎতের মিটার রিডিং ছিল ৩২ হাজার ৮৯৮ ইউনিট। তখন ঐ বিলের সম্পূর্ণ টাাক মিল মালিক পরিশোধ ও করে নেন। কিন্তু চলতি বছরের এপ্রিল ও মে এই দুই মাস বরফ কল বন্ধ থাকা সত্বে ও বিদ্যুৎতের মিটার রিডিং দেখানো হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৫ ইউনিট। এই মিল মালিক চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎতের বিল পরিশোধ করার সময় রিডিং ছিল ৩২ হাজার ৮৯৮ ইউনিট। কিন্তু গত দুই মাস এই বলফ কলটি বন্ধ থাকা সত্বেও কিভাবে অতিরিক্ত প্রায় দুই হাজার ইউনিট বিল এবং বকেয়া বিল ৮ হাজার ২৫ টাকা বাড়ল এ নিয়ে মিল মালিক হতাশ হয়েছেন। দিরাই পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীর এমন অনিয়ম আর দূর্নীতির ভূক্তভোগী অনেকেই হয়েছেন। বিদ্যুৎ বিভাগ একটি সেরাকারী প্রতিষ্ঠান হওয়ার পরও মনে হয় যেন এটা সাগর চুরির মতো একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে এখনই পদপেক্ষ না নিলে এমন হয়রানির শিকার হবেন এই উপজেলার শত শত গ্রাহকরা। স্থানীয় অনেক ভূক্তভোগীরা জানান,বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন বিল তৈরী করার আগে কার মিটারে কত রিডিং আছে সেটা সরেজমিনে পরীক্ষা নিরিক্ষা না করেই অফিসে বসেই তাদের ইচ্ছেমতো বিল তৈরী করে গ্রাহকদের পকেট কেটে অধিক মুনাফা নিচ্ছেন কিছু দূর্নীতিবাজ বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ এবং ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন গ্রামের সহজ সরল গ্রাহকরা।

দিরাই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই এমন অভিযোগ করে আসছেন দিরাই উপজেলার গ্রাহকরা।

এ ব্যাপারে শিববাজার বরফ কলের বর্তমান মালিক শ্যামল চন্দ্র সরকার(অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য) বলেন,পল্লীবিদ্যুৎ একটি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা কিভাবে পানির অজুহাত দেখিয়ে অফিসে বসে বসে তাদের মনের মতো করে বিল বাউচার বানিয়ে সাধারন গ্রাহকদের পকেট কেটে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মাসত করলে ও দেখাওর যেন কেউ নেই। মনে হয় যেন গ্রাহকরা তাদের নিকট খেলনার পুতুল হয়ে গেছেন। দিরাই পল্লীবিদ্যুৎতের এমন সাগরচুরি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এ ব্যাপারে দিরাই পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের এ জি এম মোঃ নুরুল ইসলাম এর সাথে বেশ কয়েকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার পর তিনি এই বিলটি বিদ্যুৎ অফিস থেকে অনুমানের উপর তৈরী করা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করে বিলটি সংশোধন করে দেয়ার প্রতিশ্রতি দেন।

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Arolaxltd