1. mumin.2780@gmail.com : admin : Muminul Islam
  2. Amenulislam41@gmail.com : Amenul :
  3. smking63568@gmail.com : S.M Alamgir Hossain : S.M Alamgir Hossain
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মানববন্ধন,পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ জাল দলিল বানিয়ে নামজারির অভিযোগ, প্রাণনাশের শঙ্কায় জসিম উদ্দিন কমলগঞ্জে চৈত্রঘাট-আমরতল-দেওড়াচড়া সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের দাবি কমলগঞ্জে “ব্রাজিলকে হারিয়ে’ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা কমলগঞ্জে এক একর জমির অভাবে ঝুলে আছে বর্জ্য শোধনাগার প্রকল্প শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে শ্রীমঙ্গলের সমাবেশে, মোসারফ শ্রীমঙ্গলে বৃষ্টির মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গল আগমন উপলক্ষে জনসভা সফল করতে কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে মতবিনিময় কমলগঞ্জে তাঁত বোর্ডের ফ্যাশন ডিজাইন প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান কমলগঞ্জে মরহুম আবদুল মুমিন (আলাল মিয়া) স্মরণে দোয়া মাহফিল ও শিরনী বিতরণ

তিব্র খরায় ফেটে যাচ্ছে আমন ধানের ফসলের মাঠ দিশেহারা কৃষক 

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২২১ বার দেখা হয়েছে


ছবি ক্যাপশন- বৃষ্টি না হওয়ায় মৌলভীবাজারে রোপণ কৃত আমন ধানের চারা শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি::

কমলগঞ্জে গুড নেইবারস আয়োজনে স্পেশাল হেলথ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত 

অতিবৃষ্টি এর পর দফায় দফায় বন্যায় পঁচে নষ্ট হয়ে যায় মৌলভীবাজারের কৃষকের স্বপ্নের আমন খেত। কৃষকেরা বিভিন্ন জায়গা থেকে আমন ধানের চারা দ্বিগুণ দামে ক্রয় করে আবার রোপণ করে ঘুরে দাঁড়ানো চেষ্টা করেন। তবে সম্প্রতি গত কয়েকদিনের খরায় আমন ধানের জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। এতে করে আমন চাষিদের কপালে পড়ছে নতুন করে চিন্তার ভাজ। শুধু ধান খেতই না, তীব্র খরায় পুড়ছে আগাম জাতের শীতকালীন সবজী।

জেলার কৃষকেরা জানান যে, সম্প্রতি বন্যায় আমাদের আমন ফসল পঁচে নষ্ট হয়ে যায়। অনেক কৃষক দ্বিগুণ দামে আবার চারা কিনে রোপন করেন। তবে গত কয়েকদিনের তীব্র গরমে রোপন কৃত জমি শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। বৃষ্টি না হলে এসব জমির আমন ধান নষ্ট হয়ে যাবে। এতে করে কৃষক এক মৌসুমে দুই বার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। যারা ঋণের ওপর আবার ঋণ করে চারা কিনে আমন রোপণ করেছিলেন এসব কৃষক এখন দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। কিছু কিছু জায়গায় কৃষকেরা সেচ দিয়ে পানি দিচ্ছেন জমিনে। 

জেলার কমলগঞ্জ, রাজনগর ও কুলাউড়া উপজেলা সরেজমিনে দেখা যায়, জেলায় বন্যায় রোপণ কৃত আমনের চারা নষ্ট হওয়ার পর কৃষকেরা নতুন করে আবার দ্বিগুণ দামে চারা কিনে রোপণ করেন। গত ৩ সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় অতি গরমে আমনের জমি ফেটে গেছে। এতে করে রোপণ কৃত আমন ধানের চারা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি এক সপ্তাহের মধ্যে বৃষ্টি বা সেচ দেওয়া না হয় তাহলে কৃষকেরা আবার ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এছাড়া তীব্র খরার প্রভাব শীতকালীন সবজীসহ বিভিন্ন ফসল নষ্ট হচ্ছে। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, চলতি বন্যায় ৪০হাজার ৪৮২ হেক্টর জমির আমনফসল তলিয়ে যায়। বন্যার পানি কমার পর জেলায় ১৪ হাজার ৫৫১ হেক্টর আমন ফসল পঁচে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্য পরবর্তী সময়ে কৃষকেরা বিভিন্ন জায়গা থেকে ধানের চারা সংগ্রহ করে আবার আমন ধানের চারা রোপণ করছেন। বর্তমানে জেলায় ১ লাখ ১ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় পানির অভাবে অনেক জমিন শুকিয়ে গেছে। এসব জমিতে সেচ না দিলে চারা নষ্ট হয়ে যাবে। 

জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার কৃষক আনোয়ার খান বলেন, একর প্রতি ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা খরচ করে আমরা আমন ধানের চারা রোপণ করছি। বন্যায় ধানের চারা পচেঁ নষ্ট হওয়ায় নতুন করে বিভিন্ন জায়গা থেকে দ্বিগুণ দামে আমন ধানের চারা কিনে আবার রোপণ করছি। সব মিলে প্রতি একর জমিতে ২২ থেকে ২৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন বৃষ্টি না হওয়ায় জমি শুকিয়ে আবার ধান গাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এবছর প্রতি কৃষক এক মৌসুমে ২ বার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। 

রাজনগর উপজেলার কৃষক শওকত আলী বলেন, আমার দুই একর জমির আমন ফসল পঁচে একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। এরপর আবার চারা কিনে রোপন করেছি। এখন গত কিছুদিন ধরে পানির অভাবে আবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ধান গাছ। বারবার ঋণ করে আমন চাষ করেছি। এখন যদি খরায় আমন ধান নষ্ট হয়ে যায় তাহলে মানুষের কাছে হাত পেতে চলতে হবে। 

মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন যে, তীব্র গরমে অনেক আমন ফসলের মাঠ শুকিয়ে গেছে। ধানের চারা রক্ষার জন্য সেচ দিয়ে পানি দিতে হবে। আমরা কৃষকদেরকে বলে দিয়েছি পিও ভিট ও এমওপি সার ব্যবহার করার জন্য। তাহলে কিছুটা খরতাপ থেকে ফসল রক্ষা পাবে। 

শেয়ার..

আরো সংবাদ পড়ুন...
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | আলোর দেশ ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Developed By Radwan Ahmed